শিরোনাম:

নিজের কন্যাকে মা লক্ষ্মী রূপে পুজো করলেন নদিয়ার স্কুল শিক্ষক, দেখুন..

কন্যা সন্তান আজকের দিনের সকলের কাছে অবহেলার পাত্র। বেশিরভাগ অবিভাবক কন্যা সন্তান কামনা করেন না। আবার অনেক বাড়িতে কন্যাদের ছোটবেলা থেকেই অবহেলার চোখেই দেখা হয়। ছেলেদের থেকে আলাদা চোখে দেখা হয়। সেই কন্যা সন্তান কেই সমান দিতে নিজের কন্যাকে লক্ষ্মী রূপে পুজো করলেন নদিয়ার স্কুল শিক্ষক।

পাঁচ বছরের শিশু কন্যাকে রীতিমত লক্ষ্মী রূপে সাজিয়ে ব্রাহ্মণ ডেকে সম্পূর্ণ শাস্ত্রমতে জীবন্ত লক্ষ্মী পুজো দিলেন স্কুল শিক্ষকের পরিবারের লোকজন। নদিয়ার কৃষ্ণগঞ্জ ব্লকের শিবনিবাস গ্রামে এমনই এক ব্যতিক্রমী লক্ষ্মীপুজো হল। এক অভিনব ঘটনার সাক্ষী থাকলো বাংলা। তার মতে কন্যাই জগতের আলো। তাই কন্যাই মা লক্ষীর ওপর রূপ তাই সেই মা কেই সম্মান জানাতে তার এই অভিনব উদ্যোগ। তিনি বাংলার মানুষের চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিলেন মেয়েদের কিভাবে সন্মান দেওয়া উচিত।

আমরা মনে করি, পুত্র ও কন্যা সন্তান, দুজনেই সমান। দু’জনকেই সমান, ভালোবাসা-সম্মান দেওয়া উচিত। বর্তমানে তো কন্যা সন্তান কোনও অংশেই কম নেই পুরুষদের থেকে। প্রতিটি বাবা মায়ের কাছে তাদের সন্তানই মূল সম্পদ। তাই সম্পদের দেবীর পুজোতে আমরা নিজেদের কন্যাকেই লক্ষ্মী রূপে পুজো দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সমাজের প্রতিটি মানুষের কাছেই আমরা পৌঁছে দিতে চেয়েছি এই বার্তা, কেউ যেন কন্যা সন্তান ও পুত্রবধূকে অসম্মান বা তাদের প্রতি অত্যাচার না করেন।

আড়িপেতে ঘটে লক্ষ্মী পূজো এদিন যেমন হয়েছে, একই সঙ্গে তার পাশে শিশুকন্যা রূপকথাকে লক্ষী রূপে সাজিয়ে করা হয়েছে দেবী লক্ষ্মীর আরাধনা। রূপকথার মা ঝুমা শ্রীদেবী জানিয়েছেন,’ আমাদের মেয়ে জন্ম নেবার পর থেকেই আয় ,উন্নতি, সম্মান বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই , মেয়েকেই আমরা লক্ষীরূপে পুজো দিলাম। আমরা চাই, প্রতিটি মানুষই যেন নিজেদের কন্যাসন্তানকে মাতৃরূপে সম্মান করেন।’

Check Also

আগামীকাল লক্ষ্মীপূজায় এই কয়েকটি কাজ ভুলেও করবেন না, পাপে জীবন শেষ হয়ে যাবে..

মা লক্ষ্মী হলেন ধন সম্পদ, সৌন্দর্যের ও সৌভাগ্যের দেবী। তিনি হলেন ত্রিগুনের মধ্যে রজগুনের প্রতীক। …