শিরোনাম:

মা ভবতারিণীর কাছে গেলে তিনি সমস্ত দুঃখের বিনাশ ঘটান, মায়ের কৃপা পেতে করুন এই কাজ..

প্রতিটি মানুষের জীবনে ঈশ্বরের আশীর্বাদ হলো এক বড় শক্তি। আর সেই শক্তি মানুষের জীবনে সব কিছুই নতুন করে গড়ে তুলতে সাহায্য করে। তাই মা ভবতারিণীর শ্রীচরণ সমস্ত দুঃখের বিনাশ ঘটায়, কড়া চ্যালেঞ্জেও অটুট জীবন ।বড়সড় শক্তির সন্ধানে জীবন হয়ে ওঠে বর্ণময় রূপকথা সব সময়েই সন্তানকে মা ভবতারিনী রক্ষা করেন৷ জীবনের কখনও কোনো দুর্যোগের দিনেও মা রক্ষা করেন একই ভাবে।

জীবনকে সুসংঘঠিত করার জন্যই মা ভবতারিণী বারেবারে আশীর্বাদ করেন। স্বয়ং দক্ষিণেশ্বরের মন্দিরে মা ভবতারিণী বসবাস৷ রোগভোগ থেকে নানান সমস্যা, মায়ের কৃপায় সংসার আরও সুখের হয়। মায়ের আশীর্বাদে জীবনের সব বাঁধা ও বিপদের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। জীবন অত্যন্ত সুন্দর হয় মায়ের কৃপায়।

দুর্গত, অসহায়,যারা সব সুখ স্বাচ্ছন্দ্য থেকে বঞ্চিত সেই সব মানুষদের দিন কাটে শুধুমাত্র মায়ের শরণেই মায়ের কৃপাতেই৷ গদাধর চট্টোপাধ্যায় মায়ের আশিসে আশীর্বাদ ধন্য হয়ে পরবর্তীকালে ঠাকুর শ্রীশ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবে পরিণত হয়েছে৷ শুধু তাই নয় আরো অনেক ব্যক্তি যারা মায়ের শরণাপন্ন হয়েছেন ও মায়ের অরূপ রূপের দর্শন লাভ করতে পেরেছেন। তাদের জীবনে মায়ের কৃপা সর্বদা সজাগ থাকে।

এছাড়াও যারা মাকে আকুল ভরে প্রার্থনা করেন তাদের জীবনে কোনো বিপদ মা স্পর্শ করতে দেননা। সর্বদা তাদের সকল বিপদ ও বাঁধা থেকে রক্ষা করেন। মা ভবতারিণী জীবনকে সুন্দর ও সুরক্ষিত করে তোলেন৷ জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই মায়ের অপার দয়া রয়েছে।

শুধু তাই নয় মা তার প্রত্যেক সন্তানদের জীবনের নতুন পথ দেখিয়ে দিতে সাহায্য করে। বিপথের মানুষদের সঠিক পথের সন্ধান দেন। জীবনকে নতুন করে গড়ে তোলার আশা দেখান। আমাদের জীবন মায়ের কৃপাতেই ধন্য। মায়ের অপার কৃপা সর্বদা আমাদের সুরক্ষিত রাখে।

Check Also

আগামীকাল রাধাষ্টমী , সঠিক নিয়মে করুন এই কাজ, সুখ আসবে জীবনে, মনষ্কামনা পূরণ হবে..

হিন্দু ধর্ম অনুসারে জন্মাষ্টমীতে কৃষ্ণের আবির্ভাব দিবস পালনের কয়েক দিন পরেই শ্রীরাধিকার জন্মদিবস। ভাদ্র মাসের …