শিরোনাম:

এই ভাবে ভক্তি ভরে মা মনসার পুজো করুন, যেকোনো কঠিন সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন, ঘরে আসবে মা লক্ষ্মী..

আমরা দেবদেবীর কথা আমাদের পুরাণে থাকা তথ্য থেকেই জানতে পারি। এমনকি পূরাণ থেকে আমরা সেই দেবদেবীর উৎপত্তি কিভাবে হয়েছে বা সেই দেবদেবীর পূজার্চনা কিভাবে করতে হয় সেই বিষয়েও জানতে পারি। সেই পূরাণের তথ্য অনুসারে মা মনসার কথা আমরা প্রত্যেকে জানি। শ্রাবণ মাসেই পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় পূজিত হন দেবী মা মনসা। প্রায় বেশি সংখ্যক মানুষই মা মনসার পূজো করে থাকেন।

পুরো শ্রাবণ মাসটা জুড়েই কোথাও না কোথাও চলে পালাগান। তবে এমন বেশ কিছু অলৌকিক ভালো ফল রয়েছে যা শুধুমাত্র মা মনসার পুজো করলেই পাওয়া যেতে পারে। পুরাণে বর্ণিত আছে যে, কাশ্যপ ঋষির স্ত্রী কর্দু একটি নারীমূর্তি বানিয়েছিলেন। তবে কোন না কোন ভাবে সেই মূর্তিটি মহাদেবের বীর্যের সংস্পর্শে এসেছিল। যার ফলে ওই মূর্তির মধ্যে প্রাণসঞ্চার হয় আর সৃষ্টি হয় মা মনসার। কিন্তু শিবজায়া পার্বতী মা মনসাকে কোনদিনই কন্যা রূপে স্বীকার করতে পারেননি।

ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণ মতে, কাশ্যপ মুনি ব্রহ্মার উপদেশে সর্পমন্ত্র সমূহের সৃষ্টি করেন ও তপোবলে মন দ্বারা তাঁকে মন্ত্রের অধিষ্ঠাত্রী দেবীরূপে সৃষ্টি করেন – তাই তিনি মনসা। মনসা হলেন জরুৎকারু মুনির পত্নী, আস্তিক মুনির মাতা এবং বাসুকির ভগ্নী। এর পাশাপাশি মনসামঙ্গল কাব্যের মধ্যে চাঁদ সদাগর এর কথা উল্লেখ আছে। সে কাব্য আমরা রীতিমতো সকলেই জানি। এই কাব্যের মধ্যেই মা মনসার দেবী হয়ে ওঠার গল্প বর্ণিত আছে।

শ্রাবণ মাসে কোন দেবী মূর্তির পুজো হয় না বরং এক বা অধিক মাথাযুক্ত সাপের পুজো আমরা করে থাকি। এখানে সাপ মনসার বাহন নয় বরং নিজেই তিনি একটি দেবতা। শ্রাবণ মাসের নাগ পঞ্চমী তিথি, শ্রাবণ সংক্রান্তি ও অন্যান্য দিনে হয় মা মনসার পুজো।তবে পুরাণের কথা অনুসারে দেবী মনসার আরাধনা বা পূজো করলে এক অলৌকিক ফলের প্রাপ্তি ঘটে।

১) দেবী মনসা পুজো করলে বাস্তুদোষ কেটে যায়।
২) যে কোন পারিবারিক ঝগড়া, অশান্তির বিনাশ হয়।
৩) দেবী মনসার আশীর্বাদের ফলে বন্ধ্যা নারীও সন্তানবতী হতে পারে।
৪) মা মনসার আশীর্বাদে বাড়ির সবাই সুস্থ থাকে।
৫) মা মনসার কৃপায় সারা বছর আর সর্পভীতি থাকে না।

Check Also

২০০০ বছরের অলৌ’কিক শিব’লিঙ্গ, যা থেকে অনবরত তুলসী পাতার গন্ধ বেরোয়.. কোথায় এই মন্দির?

অলৌ’কিক দেশ হিসাবে আমাদের দেশকে বিবেচনা করা হয়। প্রায়শই কিছু কিছু অলৌ’কিক ঘটনা কেউ এখানে …